প্রেগনেন্সির সময় যে ৫টা কাজ করলে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।

গর্ভাবস্থায় মুড স্যুইং প্রায় সকলের ক্ষেত্রেই ঘটে থাকে এবং ঠিক সেই কারণেই এই সময় আপনি মানসিক ভাবে কখনও ভালো থাকবেন আর কখনও খারাপ। কিন্তু এ’সময় যে’টা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় সে’টা হল ক্রমশ বাড়তে থাকা মানসিক চাপের বোঝা। আর মানসিক চাপ ছাড়াও বিভিন্ন শারীরিক অস্বস্তি এই সময়ের নিত্যসঙ্গী, যেমন; কোমরে ব্যথা, ইউরিনের সমস্যা বা রাতে ঘুমোতে না পারার সমস্যা নিয়ে জেরবার হওয়া। এই সব সমস্যা থেকে নিজেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে আপনার কী করা উচিৎ? আমাদের মতে পাঁচটা কাজ নিয়মিত করতে পারলেই আপনি সুস্থভাবে নিশ্চিন্তে প্রেগনেন্সির দিনগুলো কাটিয়ে দিতে পারবেন।

সে কাজগুলো হল:

সব সময় অ্যাক্টিভ থাকা।

এই সময় আপনি যত অ্যাক্টিভ থাকবেন, আপনার শরীর এবং মনও ততটাই চনমনে থাকবে। একটা সুস্থ স্বাভাবিক অ্যাক্টিভ জীবনে থাকা মানে শুধু আপনার মন ভালো থাকবে তাই নয়, আপনার গর্ভের শিশুও সুস্থ ভাবে বেড়ে উঠবে। সব চেয়ে ভালো হয় আপনি যদি এই সময় নিয়মিত কিছু এক্সারসাইজ করে চলেন। এক্সারসাইজে মানসিক চাপ কমে আর মাংস পেশি আরও মজবুত হয়ে ওঠে।  শুধু তাই নয়, এক্সারসাইজ করা মানে আপনার ওজন অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাবে না। কাজেই চেষ্টা করুন এই সময় নিজেকে যতটা সম্ভব ব্যস্ত রাখতে কারণ অখণ্ড অবসরে ডুবে গেলে আপনার মন বিষণ্ণতার দিকে ঝুঁকতে পারে।

কিছুটা সময় শুধু নিজের জন্য বরাদ্দ রাখুন।

অনেক সময় মহিলাদের মনে হয় প্রেগন্যান্ট হওয়া মানে তাঁদের সমস্ত শখ আহ্লাদ ভুলে যেতে হবে। কিন্তু ব্যাপারটা কিন্তু আদৌ সে’রকম নয়। বরং এই সময় আপনার উচিৎ নিজের সাজগোজের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া, নিজের প্রতি আরও একটু যত্নবান হওয়া। আর সবচেয়ে যে’টা বেশি দরকার সে’টা হচ্ছে নিজেকে ভালোবাসতে পারা, সে’টা না পারলে আপনি নিজের জন্য কিছুতেই যথেষ্ট সময় বের করতে পারবেন না। প্রয়োজনে বিউটি পার্লারে গিয়ে পেডিকিওর, ম্যানিকীওর, ফুল বডি মাসাজ বা নতুন কোনও হেয়ার কাট করিয়ে নিন। এ’টা মাথায় রাখলে আপনার প্রেগনেন্সির সময়টা দিব্যি আনন্দে কাটবে।

মেকআপের ব্যাপারে সচেতন থাকুন।

প্রেগনেন্সির দিনগুলো স্ফূর্তিতে কাটানো খুব দরকারি। সে’টার জন্য সব সময় চেষ্টা করুন নিজেকে যতটা সম্ভব সুন্দর করে রাখতে আর তার জন্য আপনাকে নিজের মেকআপের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে। এ’তে আপনার মন ভালো থাকবে। তাছাড়া প্রেগনেন্সির সময় বিভিন্ন হরোমোনাল পরিবর্তনের জন্য আপনার চেহারায় সামান্য ক্লান্তি দেখা দিতে পারে, সে জন্য আপনার নিজের মেকআপের ব্যাপারে বাড়তি সচেতন হওয়া উচিৎ যাতে আপনাকে দেখায় সুন্দর এবং চনমনে।

বেছে নিন নতুন হেয়ার স্টাইল।  

প্রেগনেন্সির সময় আপনি নিশ্চিন্তে নিজের চুল ছোট করে কাটিয়ে ফেলতে পারেন। কারণ এই সময়ে সাধারণত দেখা যায় যে লম্বা চুলের থেকে ছোট চুল সামলে চলাটা অপেক্ষাকৃত সহজ হয়।

ম্যাটারনিটি ড্রেস।

আপনি প্রেগন্যান্ট হওয়া মানেই ক্রমশ আপনার পেট আর শরীর বড় হয়ে উঠবে; এর মানে আপনার পুরনো কাপড়জামা আর ফিট হবে না। কাজেই প্রেগন্যান্সির সুখবর পাওয়া মাত্রই নিজের জন্য ম্যাটারনিটি ড্রেস কেনার প্ল্যান করে ফেলুন। ম্যাটারনিটী ড্রেস কেনার সময় একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন; কাপড়গুলো যেন সুতির হয় আর সেগুলোর ফিটিংস যেন ঢিলেঢালা হয় যা’তে সেগুলো পরে আপনি আরামে থাকতে পারেন।

আর এ’সব বাদে যে’টা আপনার অবশ্যই করা উচিৎ সে’টা হল নিজের খাওয়াদাওয়ার প্রতি যত্নশীল হওয়া। এই ছোটখাটো ব্যাপারগুলো মেনে চ

Translated by Tanmay Mukherjee

loader