শীতকালে এই চারটে জিনিস তেলের মধ্যে মিশিয়ে মাখলে চুল পড়া বন্ধ হবে।

শীতকালে চুল ঝরার সমস্যায় অনেকেই জর্জরিত হয়ে পড়েন। আর বিশেষ করে এই সময় খুস্কিও বেশি হয় যাতে চুলের সমস্যাগুলো আরও ঘনীভূত হয়। কিন্তু এমন অনেক ঘরোয়া এবং প্রাকৃতিক টোটকা রয়েছে যে'গুলো ব্যবহার করলে এই ধরণের চুলের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব, যেমন:

নারকোল তেল আর ডিম।

চুলের জন্য নারকোল তেল বেশ উপকারী এ কথা সর্বজনবিদিত। নারকোল তেল চুলকে সঠিক পুষ্টি যোগান করতে সক্ষম। তবে নারকোল তেলকে আরও কার্যকরী করে তুলতে হলে আপনি তেলের সঙ্গে ডিম মিশিয়ে নিতে পারেন। এর জন্য আপনাকে একটা ডিম ভালো করে ফেটিয়ে তার মধ্যে এক চামচ নারকোল তেল মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর সেই মিশ্রণকে নিজের চুলে লাগান আর কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।

নারকোল তেল আর লেবু।

আগেই বলেছি শীতকালে খুস্কির সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। আর আপনি যদি এই সমস্যায় ভোগেন তাহলে আপনার উচিৎ নারকোল তেলের মধ্যে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে চুলে লাগানো। এই মিশ্রণ রাতে লাগিয়ে পরের দিন সকালে ধুয়ে নিন। রাতভর তেল লাগানো থাকলে এর প্রভাব আপনার স্ক্যাল্প পর্যন্ত পৌঁছবে। সপ্তাহে তিনবার এই নারকোল তেল আর লেবুর মিশ্রণ লাগাতে পারলে আপনি নিশ্চিত ভাবেই উপকৃত হবেন।

অলিভ অয়েল আর অ্যালোভেরা।

একটানা চুল পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে হলে অলিভ অয়েলকে অল্প গরম করে নিয়ে তা'তে ভালো করে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে নিন। তারপর সেই মিশ্রণকে চুলের গোরায় লাগান আর লাগানো হয়ে আপনার মাথা যে কোনও পরিষ্কার সুতির কাপড়ে ঢেকে নিন। এক ঘণ্টা মত অপেক্ষা করে চুল ভালো করে ধুয়ে ফেলুন।  এতে আপনার চুল পড়ার সমস্যা কমবে আর চুলের রুক্ষ ভাবও দূর হবে।

সর্ষের তেল আর দই।

শীতকালে কি আপনার চুল শুষ্ক আর নির্জীব হয়ে পড়ছে? তা'হলে সে ক্ষেত্রে এ'টা বেশ কার্যকরী হতে পারে। এর জন্যে আপনাকে দই আর সর্ষের তেল ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে নিজের চুল লাগিয়ে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। এরপর ভালো করে নিজের চুল ধুয়ে ফেলুন। ধোয়ার পর দেখবেন রুক্ষ-ভাব কেটে গিয়ে আপনার চুল হয়ে উঠেছে আরও প্রাণবন্ত।  

নারকোল তেল আর আমলা।

চুলের রুক্ষ ভাব আর ঝরে যাওয়ার সমস্যার মোকাবিলায় আমলা অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে। উষ্ণ নারকোল তেলে আমলা ভিজিয়ে রাখুন আধ ঘণ্টা মত। তারপর সেই মিশ্রণকে চুলে লাগিয়ে ঘণ্টা খানেক পর ধুয়ে ফেলুন।

এ' সব বাদে, আপনি নারকোল তেলে কর্পূর মিশিয়েও চুলে লাগাতে পারেন। এতে চুলের যে কোন সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে আর খুস্কির সমস্যা থেকেও রেহাই পাবেন।

 

Translated by Tanmay Mukherjee

loader