চোখের নিচের বলিরেখা স্পষ্ট হয়ে উঠছে? এই পাঁচটা উপায়ে সে সমস্যা কাটিয়ে উঠুন।

মুখের বাহ্যিক সৌন্দর্যটুকুই কিন্তু শেষ কথা নয়, প্রত্যেকের উচিৎ ত্বকের স্বাস্থ্যর প্রতিও যত্নশীল হওয়া যাতে চেহারায় অসময়ে বার্ধক্যের ছাপ না পড়ে। বিশেষত যদি আপনার চোখে ক্লান্তির ছাপ ধরা পড়ে আর চোখের নিচে ফুটে ওঠে বলিরেখা তাহলে আপনার সৌন্দর্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে বইকি।

তবে সঠিক সময়ে সজাগ হলে এমন সমস্যা দূর করাই যায়, এ’তে আপনার মুখের যৌবন আর সৌন্দর্য অটুট থাকবে। সে বিষয়েই কিছু জরুরী টিপস দেওয়া রইল নিচে:

ডিম।

চোখের নিচে ফুটে ওঠা বলিরেখা হঠাতে ডিম অত্যন্ত কার্যকরী। তবে চোখের নিচে লাগানোর জন্য ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে সাদা অংশটি ব্যবহার করুন। নয়ত আপনার স্কিনে রুক্ষ ভাব দেখা দিতে পারে।

কলা আর মধু।

পাকা কলা ভালো করে চটকে নিয়ে তা’তে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে চোখের চারপাশে লাগান। লাগানোর আধ ঘণ্টা পর জল দিয়ে ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন।

মাসাজ করুন।

অনেক সময় মুখে রক্ত সঞ্চালন সঠিক ভাবে হয় না যার ফলে চোখের নিচের চামড়া কুঁচকে যায়। এই সমস্যা দূর করতে আপনি ব্যবহার করতে পারেন ক্যাস্টর অয়েল। ক্যাস্টর অয়েল নিয়ে চোখের নিচে মালিশ করলে নিশ্চিত ভাবেই উপকৃত হবেন। ক্যাস্টর অয়েলের বদলে নারকোল তেলও ব্যবহার করতে পারেন। রাতে শোওয়ার আগে চোখের নিচে তেল দিয়ে মালিশ করুন আর পরের দিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

টমেটো আর গোলাপজল।

টমেটোর রসে কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল মিশিয়ে চোখের নিচে লাগালে ডার্ক সার্কেলের মত সমস্যা দূর হতে পারে। গোলাপজলে ভেজানো তুলো চোখের পাতায় রেখে খানিকক্ষণ চোখ বন্ধ করে অপেক্ষা করলেও মিলবে উপকার। এমন ভাবে পাঁচ সাত মিনিট রাখুন। এ’তে আপনার চোখের আশেপাশে ত্বক হয়ে উঠবে উজ্জ্বল এবং সুন্দর।

আলু আর শসার রস।

এ’টা ত্বককে মশ্চারাইজ করে আর চোখের নিচের বলিরেখা কম করতে সাহায্য করে। এই মিক্সচার তৈরি করতে হলে আপনাকে আগে আলু আর শসা কুচিয়ে তার রস বের করে নিতে হবে। এই দুই রস মিশিয়ে নিজের চোখের নিচের কুঁচকে যাওয়া ত্বকে ভালো করে লাগান, এ’তে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।

এই সব কিছুর বাইরে দু’টো ব্যাপার জরুরী; যতটা সম্ভব টেনশন এড়িয়ে চলুন আর চেষ্টা করুন যাতে ঘুমে কোনও ঘাটতি না থাকে। অযাচিত টেনশন আর ঘুমের অভাব চোখের নিচের বলিরেখা বাড়িয়ে তোলে।

 

Translated by Tanmay Mukherjee

loader